ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থীদের অংশগ্রহণে এক ব্যতিক্রমধর্মী বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি ও প্রশাসনের যৌথ আয়োজনে এই অনুষ্ঠান হয়।
https://cutt.ly/PrZ2925R
বিতর্কে অংশ নেন ছয়জন জিএস প্রার্থী—ছাত্রদল সমর্থিত শেখ তানভীর বারী হামিম, শিবির সমর্থিত এস এম ফরহাদ, বাগছাস সমর্থিত আবু বাকের মজুমদার, উমামা ফাতেমার প্যানেলের আল সাদী ভূঁইয়া, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন সমর্থিত খায়রুল আহসান মারজান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আশিকুর রহমান।
https://cutt.ly/PrZ2925R
চার ধাপে আয়োজিত এ বিতর্কে প্রথমে প্রার্থীরা নির্বাচিত হলে তাঁদের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। এরপর ছিল নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি প্রশ্নোত্তর এবং উপসংহার পর্ব।
https://cutt.ly/PrZ2925R
প্রার্থীদের অঙ্গীকার
https://cutt.ly/PrZ2925R
হামিম: কম্পিউটার লিটারেসি বৃদ্ধি, পাঠদান পদ্ধতি আধুনিকায়ন ও আবাসন সংকট সমাধান।
ফরহাদ: অ্যালামনাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের সহায়তা, আবাসন ও খাবারের মানোন্নয়ন।
বাকের: নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, স্বচ্ছ নিয়োগে গবেষণামুখী পরিবেশ, “ওয়ান স্টুডেন্ট ওয়ান বেড” নীতি, বাস সংখ্যা বৃদ্ধি।
মারজান: সব কার্যক্রম অনলাইনে রূপান্তর, অনাবাসিক ছাত্রীদের জন্য কমনরুম, শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী উদ্যোগ।
আল সাদী: ক্যাম্পাসে দখলদারিত্বের রাজনীতি প্রতিরোধ, বিশ্ববিদ্যালয়কে ডিজিটালাইজড করা।
আশিক: বিভাজন নয়, সমঝোতার রাজনীতি; ধীরে ধীরে বহিরাগত সমস্যা সমাধান, প্রক্টরিয়াল টিম শক্তিশালী করা।
https://cutt.ly/PrZ2925R
বহিরাগত নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে
https://cutt.ly/PrZ2925R
প্রার্থীরা ভিন্ন ভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন। কেউ বিশ্ববিদ্যালয়কে রেড-ইয়েলো-গ্রিন জোনে ভাগের প্রস্তাব দেন, কেউ সময়ভিত্তিক প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, আবার কেউ শিক্ষার্থীদেরই নিয়ন্ত্রণে সম্পৃক্ত করার পক্ষে মত দেন। কেউ নিয়মিত পাহারা ও অ্যালামনাইদের অনুমতি সাপেক্ষে প্রবেশের কথা বলেন, আবার কেউ সরাসরি সংঘাতমুক্ত সমাধানের ওপর জোর দেন।
https://cutt.ly/PrZ2925R
ঢাবি সম্প্রদায়ের কাছে এই বিতর্ক প্রার্থীদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা মূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখা হচ্ছে।