ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনালের সামনে হঠাৎ করেই রোববার দুপুর দেড়টার দিকে দুই দিকের সড়ক অবরোধ করে বসে পড়েন পরিবহন শ্রমিকরা। টার্মিনালের সামনে ও আশপাশে বাস রেখে তারা রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় মুহূর্তেই সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট।
উত্তরা থেকে গুলিস্তান-সদরঘাটমুখী অসংখ্য বাস দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকায় যানজট কাকলী মোড় ছাড়িয়ে আরও দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। ফার্মগেটমুখী ফ্লাইওভারে ওঠার সুযোগ না পেয়ে বিপাকে পড়েন ব্যক্তিগত গাড়ি ও গণপরিবহনের চালকরা। অসহায় যাত্রীরা শেষ পর্যন্ত বাস থেকে নেমে হেঁটেই গন্তব্যের পথে রওনা দেন।
বনানী থানার ওসি রাসেল সারোয়ার জানান, ট্রাফিক পুলিশকে সহায়তা করা তিতুমীর কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে একতা পরিবহনের চালক-শ্রমিকদের বিরোধ বাঁধে। পরে বিষয়টি নিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক চলছিল। এর মধ্যেই শিক্ষার্থীরা একতা পরিবহনের আরও কয়েকটি বাস আটকে দিলে ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা পুরো সড়ক অবরোধ করে দেয়। সমস্যার সমাধানে পুলিশ, শিক্ষার্থী ও শ্রমিক নেতাদের মধ্যে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি।
অবরোধের কারণে শুধু মহাখালী নয়, গুলশান ও বনানী এলাকার সড়কগুলোতেও তীব্র যানজট তৈরি হয়। মোটরসাইকেল আরোহী শিমুল বলেন, “রাস্তা বন্ধ থাকায় অ্যাম্বুলেন্স পর্যন্ত আটকে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জরুরি কাজেও যাতায়াত করা কঠিন হয়ে গেছে।