বিএনপিকে টাকা দিয়ে কেনা যায় না। যারা মনে করছেন অবৈধ টাকার জোরে মনোনয়ন কিনে এনে এমপি হবেন, তারা বিভ্রান্তির মধ্যে আছেন। বিএনপি কখনো অর্থের বিনিময়ে নয়, ব্যক্তির যোগ্যতা ও কর্মগুণের ভিত্তিতেই মনোনয়ন প্রদান করে।
শনিবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার মহাদেবপুর ইউনিয়ন সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয় উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন আয়োজিত “বিপ্লব ও সংহতি দিবস” উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের পুত্র, মানিকগঞ্জ-১ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী ও জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ড. খন্দকার আকবর হোসেন বাবলু।
তিনি বলেন, “১/১১ সরকারের সময় এবং আওয়ামী লীগের গত ১৫ বছরের শাসনামলে আমার পরিবারের ওপর যে নির্যাতন চালানো হয়েছে, তা এখনো স্মরণে আছে। বিএনপি যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, আমি নির্বাচিত এলাকার মানুষের কল্যাণে এমন কাজ করব, যাতে মৃত্যুর পরও মানুষ আমাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।”
সমালোচকদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, “অনেকে বলেন আমি বাবার নাম ব্যবহার করে রাজনীতি করি। আমি বলব, আমি বাবার ছেলে — বাবার মতো হতে চাই, এটাই স্বাভাবিক। তবে আমি নিজের যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতা দিয়ে বাবার নামের সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখতে চাই।”
সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রয়াত মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের কনিষ্ঠ পুত্র খন্দকার আকতার হামিদ পবন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. খন্দকার আকাতারা খাতুন লুনা, ডা. দেলোয়ারা বেগম পান্না, এবং ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয় উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের কয়েক সহস্রাধিক নেতা-কর্মী।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে চলতি মাসের ২ নভেম্বর বিএনপি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৩৭ আসনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। বাকি ৬৩ আসনের প্রার্থীদের নাম পরে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মানিকগঞ্জ-১ আসন, যা ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয় উপজেলা নিয়ে গঠিত, এখনো মনোনয়ন চূড়ান্ত করেনি বিএনপি। এ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী রয়েছেন প্রয়াত মহাসচিবের পুত্র ড. খন্দকার আকবর হোসেন বাবলু, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা আহবায়ক কমিটির ১নং সদস্য এসএ জিন্নাহ কবির, এবং সাবেক ছাত্রনেতা ও দৌলতপুর উপজেলা চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হক তোজা।