1. muktanganpratidin@gmail.com : admin :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন

আফগানিস্তানে গত তিন দিনে তুষারপাত ও ভারী বর্ষণে আহত-১১০ নিহত-৬১জন

মুক্তাঙ্গঁন ডেক্স
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৭ বার পঠিত

গত তিন দিনে আফগানিস্তানে তুষারপাত ও ভারী বর্ষণে অন্তত ৬১ জন নিহত হয়েছেন। এবং আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১১০ জন। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে দেশটির বিভিন্ন প্রদেশে শত শত ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে আফগানিস্তানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এএনডিএমএ)। বার্তাসংস্থা এএফপির বরাতে এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে এএনডিএমএ জানায়, বুধ থেকে শুক্রবার পর্যন্ত মধ্য ও উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন প্রদেশে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। সংস্থাটির প্রকাশিত মানচিত্র অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় অন্তত ৪৫৮টি বাড়ি আংশিক বা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। এছাড়া প্রায় ৩৬০টি পরিবার সরাসরি এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এএনডিএমএর এক মুখপাত্র ভিডিও বার্তায় জনগণকে তুষারপাতে আক্রান্ত সড়কে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান। তিনি এএফপিকে বলেন, অধিকাংশ মৃত্যু হয়েছে তুষারপাতে ঘরের ছাদ ধসে পড়ার কারণে। এছাড়া তীব্র শৈত্যপ্রবাহে অনেকেই ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

দক্ষিণাঞ্চলীয় কান্দাহার প্রদেশের জরুরি বিভাগ জানায়, বুধবার শক্তিশালী বাতাস ও ভারী বৃষ্টির কারণে একটি বাড়ির ছাদ ধসে ছয় শিশু নিহত হয়। একই প্রদেশের অন্যান্য জেলাতেও ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

উত্তর কাবুলের পারওয়ান প্রদেশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তুষারপাতের কারণে সালাং মহাসড়ক বন্ধ হয়ে গেছে। এই সড়কটি আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানী কাবুলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ পথ।

এদিকে, মধ্যাঞ্চলীয় বামিয়ান প্রদেশের একটি পাহাড়ি পথে আটকে পড়া যাত্রীদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার উজবেকিস্তান থেকে বিদ্যুৎ আমদানির একটি প্রধান সঞ্চালন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রায় ১২টি প্রদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। আফগানিস্তানের জাতীয় বিদ্যুৎ সংস্থা ডিএবিএসের মুখপাত্র মোহাম্মদ সাদিক বলেন, কারিগরি দল প্রস্তুত থাকলেও সালাং গিরিপথ বন্ধ থাকায় তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারছে না।

এ বিষয়ে কাবুল টাইমস পত্রিকার এক সম্পাদকীয়তে বলা হয়, সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা গেলে তুষার ও বৃষ্টি আফগানিস্তানের পরিবেশ ও জীবিকায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ও সময়োচিত পদক্ষেপের অভাবে এসব প্রাকৃতিক ঘটনা দ্রুতই ট্র্যাজেডিতে রূপ নিচ্ছে।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বিদেশি সহায়তা কমে যাওয়ায় এ বছর আফগানিস্তানের চার কোটিরও বেশি মানুষের মধ্যে প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠী মানবিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তায় পড়বে। ভূমিকম্প ও খরার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেশটির মানুষের দৈনন্দিন সংগ্রামকে আরও কঠিন করে তুলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

Archives

Mar0 Posts
Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts
Dec0 Posts
Mar0 Posts
Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts
Dec0 Posts

Archives

Mar
Apr
May
Jun
Jul
Aug
Sep
Oct
Nov
Dec
Mar
Apr
May
Jun
Jul
Aug
Sep
Oct
Nov
Dec
All rights reserved © 2025
Design By Raytahost
HTML Snippets Powered By : XYZScripts.com