বাউল আবদুল গফুর বয়স এখন ১০৬ বছর।বিভাগীয় কমিশনারের নিকট সর্বমোট ২৩ জন আবেদনকারীর মধ্যে সর্বজেষ্ঠ। চোখে এখন খুবই কম দেখেন, বলতে গেলে দৃষ্টিহীন। অপারেশন করানোর পর এই অবস্থা। ময়মনসিংহের বিশেষ চক্ষু হাসপাতালের অপারেশনের কাহিনী নাহয় আরেকদিন বলবো।
বিগত দিনে অসুস্থতার জন্য অনুদান নিতে আসতে পারেন নি। আজকে উনি অনুদানের চেক গ্রহণ করলেন, তিনি ব্যাংকে গিয়ে টাকা উত্তোলন করে আমার কাছে নিয়ে আসছেন, বলছেন - আমার এই টাকাগুলো গুনে দেন। আমি বললাম - টাকা ব্যাংকে মেশিনে গুনা, উনি বললেন - আপনি টাকা গুলো হাতে নিয়ে আবার গুনে দেন। আমি বললাম - টাকা গুনা আছে। তবুও উনি বারবার বলছেন টাকাটা আপনি নিজ হাতে গুনে দেন দয়াকরে, বারবার বলার পরও উনি মানতে নারাজ।
বিষয়টা টাকা গুনে দেয়ার জন্য নয়, আমি যেনো টাকা গুলো হাতে নেই। আমার হাত দিয়ে পুনরায় যেনো তাকে প্রদান করি। এটা টাকা গুনে দেয়ার আবদার নয়, একজন প্রবীণের এটা কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অনুযোগ।
বাউল গফুর ভাই সবশেষে বিভাগীয় কমিশনার মহোদয়কেও ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
গফুর সাহেবগণ বেঁচে থাকুক আমাদের মগজ ও মননে এই শুভ কামনা করি।