যশোরের মনিরামপুরে আপন শ্যালিকাকে ধ*র্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত ডাঃ রাফসান জানি (২৯)-কে গ্রে*ফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ডাঃ রাফসান জানি তার পারিবারিক সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে আপন শ্যালিকার ওপর এই পাশবিক নি*র্যাতন চালান। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এবং ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের পর পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছেন।
মামলা দায়েরের পরপরই মনিরামপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসককে গ্রে*ফতারের চেষ্টা করে অবশেষে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
"অভিযোগ পাওয়ার পর মামলা এজাহার ভুক্ত হলে আমরা আসামিকে গ্রেফতার করেছি। ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং মা*মলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।"
একজন চিকিৎসকের এমন নৈতিক স্খলন ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার খবরে স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। সাধারণ মানুষ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। যেখানে তার নিজের শালিকা নিরাপদ নাই সেখানে সাধারণ মানুষ যারা তার নিকট থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করে তারা কোনো ভাবেই নিরাপদ নয়।
এদিকে ধর্ষণ মামলা থেকে রেহাই পেতে, কয়েকজন সাংবাদিক কে মেনেজ করে তাদের ইন্দনে সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন ডাঃ রাফসান।
দেশে বর্তমান চলমান পরিস্থিতিতে ধর্ষকের পক্ষে আইনজীবী না দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছেন। বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠনের দাবি একই ভাবে ডাঃ রাফসানের মামলায় হবে কি? সুশীল সমাজ ও সেচ্ছাসেবী সংগঠনের দাবি ডাঃ রাফসানের পক্ষে আইনজীবী অথবা গণমাধ্যম থাকলে তাদের নাম প্রকাশ্যে আনার আহবান জানান।