ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার নিগুয়ারী ইউনিয়নের কুরচাই গ্রামের ফাওয়ালপাড়ায় স্বামীকে হাত-পা বেঁধে রেখে এক গৃহবধূকে (২০) বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
বিগত মঙ্গলবার (১৬ জুন) দিবাগত গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূর মা রোকেয়া খাতুন বাদী হয়ে বুধবার (১৭ জুন) পাগলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর থেকে ওই গৃহবধূ তার মায়ের বাড়িতেই বসবাস করছিলেন। বাড়ির একটি কক্ষে স্বামী ও তিন বছর বয়সী সন্তানকে নিয়ে থাকতেন তিনি। ঘটনার রাতে মুখোশধারী ৭ থেকে ৮ জন দুর্বৃত্ত ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় তারা গৃহবধূর স্বামীকে বেঁধে মারধর করে এবং অস্ত্রের মুখে গৃহবধূকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, দুর্বৃত্তরা ঘরে থাকা নগদ ৩০ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। পরে বাড়ি থেকে কিছু দূরে নিয়ে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।
ভুক্তভোগীর মা রোকেয়া খাতুন বলেন, “যারা আমার মেয়ের সঙ্গে এমন নৃশংস ঘটনা ঘটিয়েছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
পাগলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন, “ভুক্তভোগীকে চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পাওয়া গেছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।