এক সপ্তাহের অবিরাম ভারি বর্ষণে নদী সাগরের পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় চরফ্যাশন উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলের শতশত গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। নদী উত্তাল থাকায় ঢালচর, চর নিজাম এবং চরপাতিলাসহ ছোটো ছোটো অনেক চরাঞ্চলের সঙ্গে নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। নদীতে থাকা সকল ধরনের নৌ-যান উপকূলে নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছে বলে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে। এছাড়াও নদীর পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায়, উপজেলার একাধিক ইউনিয়নে প্রবল জোয়ারের পানি প্রবেশ করেছে। আসলামপুর ইউনিয়ন,মাদ্রাজ ইউনিয়ন, হাজারিগঞ্জ ইউনিয়ন,জাহানপুর ইউনিয়ন, চরমানিকা ইউনিয়ন,নীলকমল ইউনিয়নের বাংলাবাজার ঘোষেরহাট ও চরমানিকা ইউনিয়নের চর কচ্ছপিয়া, নজরুল নগর বাবুরহাট চর নলুয়াসহ ঢালচর,কুকরি-মুকরি এবং চরপাতিলা, চর নিজামে ভারি বর্ষণের প্রভাবে নদীর পানির উচ্চতা বেড়ে খাল বিল,পুকুর জলাশয় মাছের ঘের কৃষি ফসল তলিয়ে গিয়েছে। এছাড়াও একাধিক ইউনিয়নের স্লুইসগেট বন্ধ থাকায় জলাবদ্ধতার কারণে বাসাবাড়িতে পানি প্রবেশ করে। যার ফলে হাস মুরগীর খামারসহ গবাদিপশুর খামারেও পানিতে ডুবে আছে। উপকূলীয় মানুষের জীবন জীবিকা থমকে গেছে গত এক সপ্তাহের অবিরাম এ ভারি বর্ষণে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, অবিরাম বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। পাশাপাশি জলাবদ্ধতা নিরসনে ও সংকট মোকাবিলা এবং সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।


