বিএনপি নেতা বকুল প্রথমবার ধর্ষণ করার পর ভিডিও করে রেখে দেয়। এবং সেই ভিডিও ছেড়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে কিশোরী লামিয়াকে।
লামিয়া (ছদ্মনাম) ক্লাস টেনের শিক্ষার্থী। নেত্রকোনার কেন্দুয়া এলাকার এক নিন্মমধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে। আরও কয়েক বছর আগেই লামিয়া ৫০ বছর বয়সী বকুল মিয়ার লালসার শিকার হন।
তাকে তুলে নিয়ে একবাড়িতে আটকে রেখে ধর্ষণ করে প্রথমে। এরপর মাঝে মাঝেই সেই ভিডিও ছেড়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে বার বার তাকে নিয়ে ধর্ষণ করে।
আরও নির্মম ব্যাপার হইলো, বকুল মিয়া তার এক নারী সহযোগীকে দিয়ে একটি বাসা ভাড়া করায়। এবং সেই ভাড়া বাসায় লামিয়াকে প্রায়ই নিয়ে যেত বকুলের সেই নারী সহযোগী। এবং সেখানে তাকে ধর্ষণ করতো।
শুধু বকুল একাই না, অন্যান্য পুরুষদের দিয়েও তাকে ধর্ষণ করানো হয়ে ওই ভাড়া বাসায় আটকে রেখে। কিশোরী লামিয়া হয়ে উঠেছিল একটি সংঘবদ্ধ ধর্ষক চক্রের নির্মমতার শিকার।
গেলো ১ আগষ্ট স্থানীয় বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বকুল মিয়া কিশোরী লামিয়ার নগ্ন ভিডিও ছেড়ে দেয় ফেসবুকে। সেটা কোনোভাবে লামিয়ার বাবা দেখতে পান। মেয়েকে জিজ্ঞাসা করার পর জানতে পারেন বিস্তারিত।
মেয়েকে হসপিটালে নিয়ে যাওয়ার পর দেখেন এখন সে ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা! লামিয়ার বাবা কেন্দুয়া থানায় ধর্ষণের মামলা করেন।
বকুল মিয়া এখন পলাতক। পুলিশ তাকে খুঁজছে!
সবচাইতে জঘন্য ব্যাপার কি জানেন?
বাংলাদেশের প্রথম সারির কোনো মিডিয়াগুলোতে এটা নিয়ে কোনো কথা নাই। ধর্ষকের নামের শুরুতে "বিএনপি" চলে আসায় কি তাদের আগ্রহ কম? নাকি লামিয়ারা শহুরে নয়, কিংবা খুব গরিব বলে? নাকি এইদেশের মিডিয়া পড়ার লোকজন মনস্তাত্ত্বিকভাবে রেপিস্ট?........মাসুদুর রহমান আদনান এর লেখা থেকে নেওয়া।