উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন কলেজটির কো-অর্ডিনেটর মাহরিন চৌধুরী (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শিক্ষার্থীদের জীবন বাঁচাতে গিয়ে তিনি দগ্ধ হন।
নেগেটিভ রক্তের সংকট,রক্তদাতাদের এগিয়ে আসার আহ্বান
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান সোমবার (২১ জুলাই) রাতে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
দগ্ধ অবস্থায় কয়েক দিন ধরে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিলেন মাহরিন। তার শরীরের ৬৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
মাহরিন চৌধুরীর ভাই মুনাফ মুজিব চৌধুরী এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘মাহরিন আপু আর আমাদের মাঝে নেই। আমার বড় বোন, যিনি আমাকে মায়ের মতো করে বড় করেছেন, তিনি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন।’
বিমান বিধ্বস্তের সময় কলেজের সামনে শিক্ষার্থীরা দাঁড়িয়ে ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে দৌড়ে এগিয়ে যান মাহরিন চৌধুরী। তখনই আগুনের হলকা এসে তাকে গ্রাস করে।
বিমান দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিল সরকার
প্রয়াত এই শিক্ষিকার সহকর্মীরা বলছেন, তিনি ছিলেন দায়িত্বশীল, সাহসী এবং সন্তানতুল্য শিক্ষার্থীদের প্রতি ছিলেন ভীষণ মমতাময়ী। কলেজজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে তার মৃত্যুতে।