
কেরানীগঞ্জের খোলামোড়া এলাকায় সাংবাদিক আরিফ সম্রাটের উপর মব তৈরি করে হামলার চেষ্টা, হুমকি ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
“গাছপালা নিধনে বন বিভাগও দায় এড়াতে পারে না” — সুপ্রদীপ চাকমা
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, আওয়ামী লীগ নেতা হাজী মনজুর ইসলাম (৪৫), হাজী মনির হোসেন (৫২), নাজির হোসেন (৩৮), সৈকত আহমেদ (২৬)সহ ২০-২৫ জন পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনাটি ঘটায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, শাক্তা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা হাজী মনজুর ইসলাম, কিশোর গ্যাং লিডার সৈকত, নাজিরসহ একদল লোক পুলিশের সামনেই সাংবাদিক আরিফ সম্রাটকে হুমকি দেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।
সাংবাদিক আরিফ সম্রাট জানান, গত ২৮ আগস্ট রাত ৮টা ১৩ মিনিটে খোলামোড়া নবাবচর শাহজাহান রোড এলাকায় মোবাইল চুরির ঘটনায় সন্দেহভাজন চোরের পক্ষ নিয়ে অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে তাকে হুমকি ও লাঞ্ছিত করে। তবে ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকায় তিনি রক্ষা পান।
এর আগে, গত জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় ৪ আগস্ট ঘাটারচরে আওয়ামী লীগের মিছিল থেকে ছাত্র-জনতার উপর হামলা ও গুলির একটি ভিডিও ধারণ করেন আরিফ সম্রাট। পরে সেই ভিডিও ব্যাপক প্রচার হলে অভিযুক্তদের স্বজনসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এর জের ধরেই ওই নেতারা তাকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছেন।
আরিফ সম্রাট বলেন, “আমাকে সামাজিকভাবে কোণঠাসা ও হেয় করতে প্রকাশ্যে হুমকি ও লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”
শিবালয়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের বর্ষপূতিতে ওলামা দলের বিজয় র্যালি
এ বিষয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল হক ডাবলু বলেন, “আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। সাংবাদিকের উপর হামলায় জড়িতদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।”
Leave a Reply