
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি—রাশিয়া, চীন ও উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত—এ বিষয়ে মস্কো একে নিছক ‘ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য’ হিসেবে দেখছে।
https://mascarapersonality.com/perhhxsm?key=2dca62faf602ce660bc6592a630b519b
বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ক্রেমলিনের সহকারী ইউরি উশাকভ বলেন, “আমার বিশ্বাস, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিষয়টি বিদ্রুপের ছলে বলেছেন। তিনি সত্যিকার অর্থে কোনো ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনতে চাননি।”
https://mascarapersonality.com/perhhxsm?key=2dca62faf602ce660bc6592a630b519b
ট্রাম্প একদিন আগে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংকে উদ্দেশ করে লেখেন, “ভ্লাদিমির পুতিন ও কিম জং উনকে আমার শুভেচ্ছা জানাবেন, যেহেতু আপনারা সবাই আমেরিকার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন।”
https://mascarapersonality.com/perhhxsm?key=2dca62faf602ce660bc6592a630b519b
ট্রাম্পের এই মন্তব্য আসে এমন সময়ে, যখন বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত এক বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজে উপস্থিত ছিলেন তিন পরাশক্তির এই পারমাণবিক অস্ত্রধারী নেতারা।
https://mascarapersonality.com/perhhxsm?key=2dca62faf602ce660bc6592a630b519b
বেইজিংয়ে সামরিক শক্তির মহড়া
বুধবার তিয়ানআনমেন স্কয়ার যেন রূপ নেয় সামরিক প্রদর্শনীর বিশাল মঞ্চে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এই কুচকাওয়াজে প্রদর্শিত হয় চীনের আধুনিক অস্ত্রভাণ্ডার—ট্যাংক, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থেকে শুরু করে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান পর্যন্ত।
https://mascarapersonality.com/perhhxsm?key=2dca62faf602ce660bc6592a630b519b
চীনের প্রেসিডেন্ট ও সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক সি চিন পিং কুচকাওয়াজের নেতৃত্ব দেন। তিনি প্রথমে শহীদ যোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, পরে খোলা গাড়িতে চড়ে সৈন্যদের পরিদর্শন করেন এবং ঐতিহাসিক ‘গেট অব হেভেনলি পিস’ থেকে ভাষণ দেন।
https://mascarapersonality.com/perhhxsm?key=2dca62faf602ce660bc6592a630b519b
প্রায় ১০ হাজার সেনার সামনে সি চিন পিং বলেন, “চীন শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের পথে অবিচল থাকবে। মানবসভ্যতা আজ এক সঙ্কটময় মোড়ে দাঁড়িয়ে, আর চীন বিশ্বের সঙ্গে মিলিত হয়ে যৌথ ভবিষ্যৎ গড়তে বদ্ধপরিকর।”
https://mascarapersonality.com/perhhxsm?key=2dca62faf602ce660bc6592a630b519bএরপর চাংআন অ্যাভিনিউ জুড়ে শুরু হয় সামরিক কুচকাওয়াজ, যেখানে প্রদর্শিত হয় চীনের সবচেয়ে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা। সবার নজর কাড়ে ডিএফ-৫ আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা পারমাণবিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম।
https://mascarapersonality.com/perhhxsm?key=2dca62faf602ce660bc6592a630b519bবিশ্বকে বার্তা
বিশ্লেষকদের মতে, এটি নিছক সামরিক কুচকাওয়াজ ছিল না—বরং বিশ্বের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা। চীন এখন একটি দৃঢ় বৈশ্বিক শক্তি, এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ কারও চাপের মুখে পিছিয়ে যাবে না।
https://mascarapersonality.com/perhhxsm?key=2dca62faf602ce660bc6592a630b519bসিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ইয়ান চং বলেন, “এই কুচকাওয়াজের মূল বার্তাই হলো—চীন এখন বিশ্বশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, আর কোনো হুমকি বা চাপ তাদের অগ্রযাত্রা থামাতে পারবে না।”
Leave a Reply