1. muktanganpratidin@gmail.com : admin :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন

চিকিৎসকদের ওয়াশরুমে ‘স্পাই ক্যামেরা’:আটক ইন্টার্ন চিকিৎসক

মুক্তাঙ্গঁন ডেক্স
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫ বার পঠিত

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকদের ওয়াশরুমে ‘স্পাই ক্যামেরা’ লাগানোর অভিযোগে এক ইন্টার্ন চিকিৎসককে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার বিকেলে তাঁকে আটক করা হয়। তাঁর বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

গতকাল রোববার হাসপাতালের পরিচালকের কাছে এক নারী ইন্টার্ন চিকিৎসক লিখিত অভিযোগে জানান, গত শনিবার সন্ধ্যায় হাসপাতালের সার্জারি ইউনিট-১–এর ৯০৭ নম্বর কক্ষে তিনি কর্মরত ছিলেন। কর্মরত থাকা অবস্থায় ওই রুমের সঙ্গে সংযুক্ত ওয়াশরুমে একটি লুক্কায়িত স্পাই কলম ক্যামেরা দেখতে পান। ক্যামেরাটি ওই নারী চিকিৎসক নিজে সঙ্গে করে নিয়ে বের হন। এ সময় তাঁর কাছে কর্মরত এক পুরুষ ইন্টার্ন চিকিৎসক ক্যামেরাটি ফেরত চান। দিতে অস্বীকার করলে ধস্তাধস্তি করে কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন পুরুষ ইন্টার্ন চিকিৎসক। এতে ওই নারী ইন্টার্ন চিকিৎসক হাতে আঘাত পান। পরে তিনি নিজেকে বাঁচিয়ে পাশের ইউনিটে চলে যান।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ওই নারী চিকিৎসক ওয়াশরুম ব্যবহার করতে যাওয়ার সময় তাঁকে থামিয়ে পুরুষ ইন্টার্ন চিকিৎসক নিজে ওয়াশরুমে প্রবেশ করেন। অন্য নারী ইন্টার্ন চিকিৎসকেরাও ওয়াশরুম ব্যবহার করতে গেলে তিনি প্রায়ই আগে ওয়াশরুমে ঢুকে যেতেন। নারী ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা বিষয়টি তদন্ত করে ওই ব্যক্তির শাস্তি দাবি করেন।

এ আবেদন পাওয়ার পর হাসপাতালের পরিচালক মো. আবদুল কদ্দুস এক অফিস আদেশে ওই পুরুষ ইন্টার্ন চিকিৎসকের ইন্টার্নশিপ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছেন। অভিযোগ তদন্তের জন্য পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়। টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজের সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু হানিফকে তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে।

সোমবার অভিযুক্ত ইন্টার্ন চিকিৎসক তদন্ত কমিটির কাছে সাক্ষ্য দিতে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন। এ খবর পেয়ে অন্য ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা এসে তাঁর বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হন। পরে গোয়েন্দা পুলিশ তাঁকে আটক করে নিয়ে যায়। নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষোভরত ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আঘাত করে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (দক্ষিণ) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ বি এম দোহা জানান, ওই ইন্টার্ন চিকিৎসককে টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি রুহুল আমিন বলেন, ওই ইন্টার্ন চিকিৎসক তাঁদের হেফাজতে আছেন। অভিযোগ পাওয়া সাপেক্ষে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করে গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

Archives

Mar0 Posts
Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts
Dec0 Posts
Mar0 Posts
Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts
Dec0 Posts

Archives

Mar
Apr
May
Jun
Jul
Aug
Sep
Oct
Nov
Dec
Mar
Apr
May
Jun
Jul
Aug
Sep
Oct
Nov
Dec
All rights reserved © 2025
Design By Raytahost
HTML Snippets Powered By : XYZScripts.com