1. muktanganpratidin@gmail.com : admin :
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন

নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা বিধির গেজেট নিয়ে রিভিউ রায়ের দিন রোববার

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন, ২০২৫
  • ১১১ বার পঠিত

নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত বহুল আলোচিত গেজেট বিষয়ে দায়িত্বরত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের আদেশের বিরুদ্ধে করা রিভিউ আবেদনের রায় আগামী রোববার ঘোষণা করা হবে।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির আপিল বিভাগ বেঞ্চে রিভিউ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত রায়ের জন্য রোববার দিন ধার্য করেন।

রিভিউ আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

শুনানি শেষে সাংবাদিকদের শিশির মনির বলেন, “আজ আদালতে তুলে ধরেছি, কীভাবে বিচার বিভাগকে ‘অ্যাসল্ট’ করে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে এই শৃঙ্খলাবিধি গৃহীত হয়েছিল। এর আগে নয়জন বিচারপতি এ বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছিলেন। এটি বিচার বিভাগের ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা। সরকার বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে ওই গেজেট আদায় করেছে। তাই বিষয়টির রিভিউ প্রয়োজনীয় ছিল।”

প্রসঙ্গত, ১৯৯৪ সালে অধস্তন আদালতের বিচারকদের বেতন গ্রেড একধাপ কমিয়ে দেওয়ার পর জেলা জজ মাসদার হোসেনসহ ২১৮ জন বিচারক রিট করেন। হাইকোর্ট এ বিষয়ে রুল জারি করে এবং ১৯৯৭ সালের ৭ মে জুডিশিয়াল সার্ভিসকে স্বতন্ত্র সার্ভিস হিসেবে ঘোষণা করে রায় দেন। পরে ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর আপিল বিভাগ ঐতিহাসিক রায়ে ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার রায় দেন।

এই নির্দেশনার মধ্যে ছিল— বিচার বিভাগকে সিভিল সার্ভিস থেকে আলাদা রাখা, বিচারকদের নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলি ও শৃঙ্খলার বিষয়ে রাষ্ট্রপতির নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণ, সুপ্রিম কোর্টের অধীনস্থ নিয়ন্ত্রণ, জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন গঠন ও পে-কমিশন প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি।

রায় অনুযায়ী ২০০৭ সালে বিচার বিভাগ আলাদা হলেও, অন্যান্য নির্দেশনার বাস্তবায়ন ঝুলে থাকে। পরে সরকার বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির খসড়া তৈরি করে সুপ্রিম কোর্টে পাঠালে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ তা ফিরিয়ে দেয়, উল্লেখ করে যে এটি মাসদার হোসেন রায়ের পরিপন্থী।

পরে মতপার্থক্য ও টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে বিচারপতি সিনহা দেশ ত্যাগ ও পদত্যাগ করেন। ২০১৮ সালের ৩ জানুয়ারি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ ওই গেজেট গ্রহণ করে আদেশ দেন, যা নিয়ে পরবর্তীতে বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা গেজেটটিকে শাসন বিভাগের হস্তক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
তরুণ সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে হবে:স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
এ বিষয়ে রিভিউ আবেদনের রায় আসছে রোববার। বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতার জন্য তা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

Archives

Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts
Dec0 Posts
Mar0 Posts
Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts
Dec0 Posts

Archives

Apr
May
Jun
Jul
Aug
Sep
Oct
Nov
Dec
Mar
Apr
May
Jun
Jul
Aug
Sep
Oct
Nov
Dec
All rights reserved © 2025
Design By Raytahost
HTML Snippets Powered By : XYZScripts.com