
বিশ্বখ্যাত ‘মিয়াজাকি’ আম এবার ফলেছে মেহেরপুরের মাটিতে। জেলার গোপালপুর গ্রামের যুবক মির্জা গালিবের হাত ধরে জাপানের বিলাসবহুল এই আম চাষে দেখা দিয়েছে নতুন সম্ভাবনা।
ভারতের ঘটনার ভিডিও বাংলাদেশ বলে ছড়ানোর অপপ্রচার শনাক্ত করল বাংলাফ্যাক্ট
জাপানের কিউশু দ্বীপের মিয়াজাকি প্রিফেকচারে উৎপত্তি হওয়া এ আম বিশ্বজুড়ে ‘সূর্যের ডিম’ নামে পরিচিত। উজ্জ্বল লালচে রঙ, অতিমাত্রায় মিষ্টতা ও পুষ্টিমান এই আমকে করেছে উচ্চমূল্যের।
গালিব জানান, “ইউটিউব আর ইন্টারনেট ঘেঁটে মিয়াজাকি আম সম্পর্কে জানতে পারি। এরপর বিভিন্ন উৎস থেকে চারা সংগ্রহ করে আড়াই বছর আগে ২ বিঘা জমিতে ৭৭টি গাছ রোপণ করি। এবারই প্রথম ফলন পেয়েছি, ফলন দেখে আশাবাদী।”
তাঁর দাবি, এ বছর প্রায় তিন মন আম উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী বছর প্রতিটি গাছে বাণিজ্যিকভাবে আম পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন তিনি।
গালিব বলেন, “প্রথমদিকে একটু বেশি যত্ন ও খরচ হয়েছে। তবে এখন মনে হচ্ছে পরিশ্রম সার্থক হতে চলেছে। আগামী মৌসুমে আরও বড় পরিসরে চাষ করব।”
জেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, মিয়াজাকি আমের সফল চাষে কৃষকদের দেওয়া হচ্ছে প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সামছুল আলম বলেন, “১৯৮০ সালে প্রথম জাপানে বাণিজ্যিকভাবে চাষ হয় এই আমের। পরে ভারত, বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইনসহ বিভিন্ন দেশে পরীক্ষামূলকভাবে চাষ শুরু হয়।”
তিনি আরও বলেন, “মিয়াজাকি আম চাষে সময়, যত্ন, পর্যাপ্ত সূর্যালোক, সুনির্দিষ্ট সেচ ও আবহাওয়ার প্রয়োজন হয়। মেহেরপুরের মাটি ও খরাপ্রবণ আবহাওয়া এ চাষের জন্য যথোপযুক্ত।”
মেহেরপুরে পদযাত্রা শেষে এনসিপি আহ্বায়কের ঘোষণা:”জুলাইয়ের ঘোষণাপত্রে নির্ধারিত হবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ”
কৃষি কর্মকর্তারা মনে করেন, সঠিক বাজারজাত ও রপ্তানির সুযোগ তৈরি হলে মিয়াজাকি আম দেশের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।
Leave a Reply