
বিক্রির জন্য তোলা হলেও পরে দাম কমিয়ে ৫৮ মিলিয়ন করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিক্রি না করে অ্যাফ্লেক নিজের অংশ বিনা মূল্যে লোপেজকে দিয়ে দেন, যা তাঁদের সম্পত্তি সমঝোতায় বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এ সিদ্ধান্তের পেছনে আর্থিক প্রেক্ষাপটও গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি নিজের একটি এআই কোম্পানি প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করেছেন অ্যাফ্লেক, যা হয়তো তাঁকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে স্বস্তি দিয়েছে। অন্যদিকে লোপেজ বর্তমানে ওই বাড়িতেই থাকছেন, পাশাপাশি আরেকটি সম্পত্তির সংস্কারকাজ নিয়েও ব্যস্ত।
বিচ্ছেদের পর দুজনের জীবনও ভিন্ন পথে এগিয়েছে। অ্যাফ্লেক লস অ্যাঞ্জেলেসে প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলারের নতুন বাড়িতে উঠে গেছেন। আর লোপেজ সময় দিচ্ছেন নিজের পরিবারকে, বিশেষ করে গায়ক মার্ক অ্যান্টনির সঙ্গে তাঁর যমজ সন্তানদের।
তবে এই বিচ্ছেদ শুধু আর্থিক বা আইনি বিষয়েই সীমাবদ্ধ নয়, এর রয়েছে গভীর মানসিক প্রভাবও। ২০২৫ সালের মার্চে ‘গুড মর্নিং আমেরিকা’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লোপেজ খোলামেলাভাবে বলেন, এই বিচ্ছেদ তাঁকে ভেতর থেকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। তিনি বলেন, ‘আমি এক বছর কাজ থেকে বিরতি নিয়েছিলাম। বাড়িতে বসে নিজের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি—কোনো কাজ নয়, কোনো নতুন সম্পর্ক নয়। শুধু বুঝতে চেয়েছি, কী ঘটেছিল।’
Leave a Reply