
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৩১ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলা এ সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফসহ অন্তত দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
https://mascarapersonality.com/qxacr9wk?key=f5964f502d12a605f33b87ed1b719005
চবি রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম জানান, প্রক্টর আক্রান্ত হয়েছেন শুনে তারা উদ্ধার করতে গেলে স্থানীয়রা তাদের ঘিরে ধরে। দেড় ঘণ্টা ধরে চলে মারধর। এ সময় একাধিকবার অজ্ঞান হয়ে পড়লেও মৃত ভেবে ফেলে রাখা হয়। পরে আবারও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
https://mascarapersonality.com/iyhhi5t1?key=54c82054074379acd289473c334e6309
ভাষা বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মোশাররফ হোসেন বলেন, “আটকে থাকা সহপাঠীদের উদ্ধারে এগোলে স্থানীয়রা এলোপাথাড়ি ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। এতে আমার মাথা ফেটে যায় এবং সেলাই করতে হয়েছে।”
https://mascarapersonality.com/j4gss4uq?key=27116aa4a68bb4f8a24fc3c3aa6376df
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এ হামলার সময় তাদের মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয় স্থানীয়রা।
https://mascarapersonality.com/perhhxsm?key=2dca62faf602ce660bc6592a630b519b
জানা গেছে, ভাড়া বাসার এক দারোয়ানের সঙ্গে কথাকাটাকাটির জেরে এক ছাত্রীকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার রাত সোয়া ১২টা থেকে রোববার দুপুর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার সূত্রপাত হয়।
https://mascarapersonality.com/szmvxhp6?key=6b29932d188d82d621bf35c609fae59b
এদিকে বিকেল ৪টার দিকে ক্যাম্পাসের আশপাশে যৌথবাহিনী অভিযান শুরু করে। যৌথবাহিনীর অন্তত ১০টি গাড়ি সেখানে প্রবেশ করতে দেখা যায়। তবে দুপুর ১২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত টানা সংঘর্ষ চললেও এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি।
Leave a Reply