
টাঙ্গাইলের মধুপুরের ধরাটি গ্রামের কালাপাহাড় এলাকার একটি গারো পরিবারকে বন্দুকের নলের মুখে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করলো বনশিল্প উন্নয়ন সংস্থা তথা বশিউক বা রাবার উন্নয়ন কতৃপক্ষ। কর্তব্যরত আনসারদের মারমুখি আচরণ দেখে মনে হলো এটা একাত্তর।
জানা যায়,আশির দশকে গজারী বন কেটে সাবাড় করে প্রায় সাত হাজার একরে যে রাবার বাগান করা হয়, সেটি এখন আর লাভজনক নয়। রাবার বাগান জুড়ে এখন কলা আর আনারস বাগান। অনেক জমি প্রভাবশালীরা জবরদখলে নিয়েছে। সেসব উদ্ধার করতে পারেনি বশিউক। কিন্তু দরিদ্র গারো পরিবারটিকে উচ্ছেদ করে মধুপুরে চলমান অগ্নিকুন্ডে নতুন করে ঘি ঢাললো রাবার কর্তপক্ষ। বন বিভাগের মতো রাবার কর্তৃপক্ষও দুর্নীতি আর স্বেচ্ছাচারিতার পরকাষ্ঠা দেখাতে কতোটা পারঙ্গম এ ঘটনা তারই দৃষ্টান্ত।
আদীবাসীরা আজীবন সংগ্রামী ও খেটে-খাওয়া মানুষ। বনজঙ্গলের সাথে সংগ্রাম, সামাজিক সংগ্রাম। এতো সংগ্রামের ভিতর আবার অধিকার আদায়ের সংগ্রাম।
টাঙ্গাইলের মধুপুরের এই যে গারো পরিবারকে বন্দুকের নলের মুখে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হলো। মাথাগোঁজার ঠাঁই থেকেও বিতাড়িত করে দিতে চায়৷ তাদের পাশে কি রাষ্ট্র বা সামাজিক আন্দোলনকারীগণ কি দাঁড়াবে না! এ সংগ্রাম থামবে কবে…?
Leave a Reply