
মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে বক্তব্য বিকৃত ও খণ্ডিতভাবে প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দৌলতপুর উপজেলা যুবদলের পক্ষ থেকে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
যুবদল নেতৃবৃন্দের দাবি, সম্প্রতি তাদের একটি বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আংশিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। এতে মূল বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাদ দিয়ে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় এবং বিষয়টি বিতর্কিত রূপ নেয়।
যুবদলের পক্ষ থেকে বলা হয়, দৌলতপুর উপজেলায় প্রায় ৩০ জনেরও বেশি সাংবাদিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের অধিকাংশই পেশাগত দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করছেন। এসব সাংবাদিকদের প্রতি তারা সম্মান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
তবে তাদের অভিযোগ, কয়েকজন সাংবাদিক অতীতে রাজনৈতিক পরিচয়ে সক্রিয় ছিলেন এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাবের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কাজ করেছেন। এমন কিছু ব্যক্তির কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করতে গিয়ে তারা “কিছু সংখ্যক বিপথগামী সাংবাদিক” শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। কিন্তু পুরো বক্তব্য প্রচার না করে কেবল নির্দিষ্ট অংশ প্রকাশ করা হয়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের কাছে ভুল বার্তা পৌঁছেছে।
যুবদল নেতৃবৃন্দ বলেন, “আমরা কখনোই দৌলতপুরের সকল সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে কোনো মন্তব্য করিনি। বরং যারা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করে দেশের জন্য কাজ করছেন, তাদের আমরা স্বাগত ও ধন্যবাদ জানিয়েছি। কিন্তু সেই অংশগুলো ভিডিও থেকে বাদ দিয়ে খণ্ডিত চিত্র প্রকাশ করা হয়েছে।”
তারা আরও বলেন, সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ থাকলে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে যুবদল নেতৃবৃন্দ বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও খণ্ডিত তথ্য প্রচারের ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
এ ঘটনায় এলাকায় রাজনৈতিক ও সাংবাদিক মহলে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
Leave a Reply