
র্যাব মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান জানিয়েছেন, বাহিনীটি এখন নিয়মিত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সদস্যদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে র্যাবে মানবাধিকার সেল এবং অভ্যন্তরীণ তদন্ত সেল গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি, র্যাব বর্তমানে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন বিধিমালায় পরিচালিত হলেও নতুন করে র্যাব আইন ২০২৪ (খসড়া) প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের ৫ আগস্ট থেকে চলতি বছরের ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত র্যাব ৪৪২টি হত্যা মামলায় ১ হাজার ৪৮৭ জন এবং নাশকতা মামলায় ১৫৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে র্যাব মহাপরিচালক বলেন, বাহিনীটি জনগণের আস্থা অর্জন করে দায়িত্ব পালন করতে চায়। এজন্য জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ, যোগাযোগ সহজীকরণ, আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রশিক্ষণে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের পাশাপাশি জাতিসংঘ (ইউএন), ইন্টারপোল, এফবিআইসহ আন্তর্জাতিক সংস্থা ও উন্নত দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে যৌথ প্রশিক্ষণের কথাও তুলে ধরা হয়।
এদিকে হাইওয়ে পুলিশের উপস্থাপনায় মহাসড়কে নিরাপত্তা রক্ষায় বিভিন্ন পদক্ষেপ ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা হয়। এতে জনবল ও যানবাহনের স্বল্পতা, অবকাঠামো সংকট এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে জোরালো প্রয়াসের কথা বলা হয়।
পুলিশ ইউনিটগুলোর উপস্থাপনায় আরও উঠে আসে স্বাধীন সাইবার ইউনিট গঠনের প্রয়োজন, নারীবান্ধব কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের জন্য আলাদা নীতিমালা প্রণয়নের দাবি।
Leave a Reply