
আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে সারাদেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিশেষ মনিটরিং কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ কমিটিতে গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, ছাত্র-জনতা ও সংশ্লিষ্টদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা পর্যায়ে ইউএনও এই কমিটি গঠন করবেন।
পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার পাশাপাশি প্রশাসন, বিদ্যুৎ বিভাগ ও ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের মোবাইল নম্বর পূজামণ্ডপ ও মন্দিরে দৃশ্যমান স্থানে ঝুলিয়ে রাখার পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হবে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে পূজামণ্ডপে সন্দেহজনক ব্যাগ বা কোনো বস্তু নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। প্রতিমা তৈরি থেকে বিসর্জন পর্যন্ত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রতিমা ভাঙচুর রোধে বিশেষ নজরদারি চালাবে। প্রতিমা বিসর্জনস্থল ও পূজামণ্ডপে পর্যাপ্ত পুলিশ ও আনসার মোতায়েনের পাশাপাশি নারী দর্শণার্থীদের সুরক্ষায় স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের নির্দেশনা রয়েছে।
এ ছাড়া, ইভটিজিং ও বখাটেদের উৎপাত রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পূজাকালীন আতশবাজি ও পটকা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে, পাশাপাশি স্থায়ীভাবে আতশবাজি বিক্রি ও পোড়ানো রোধে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বিসর্জনস্থলে পর্যাপ্ত আলো, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল প্রস্তুত রাখা হবে। যেসব পূজামণ্ডপে যাতায়াতের রাস্তা অনুপযোগী, সেগুলোও সাময়িকভাবে মেরামত করে চলাচল উপযোগী করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
Leave a Reply