
মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রাফসান জানির বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষ’ড়যন্ত্র ও শ্যালিকাকে জিম্মি করে চাঁ’দাবাজির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে। বুধবার দুপুরে যশোর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ডা. রাফসান জানি দাবি করেন, একটি স্বার্থান্বেষী চক্র দীর্ঘদিন ধরে তার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চাঁ’দা আদায়ের উদ্দেশ্যে নানাভাবে ব্ল্যাকমেইল ও হয়রানি করে আসছে। দাবিকৃত অর্থ না পাওয়ায় চক্রটি তার শ্যালিকাকে জিম্মি করে থানায় একটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দায়ের করিয়েছে।
শ্যালিকার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ
লিখিত বক্তব্যে ডা. রাফসান জানি জানান, তার শ্যালিকা মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ এবং ছোটবেলা থেকেই তিনি তাকে নিজ সন্তানের মতো দেখাশোনা করে আসছেন। পারিবারিক সম্পর্কের সূত্র ধরে শ্যালিকার সঙ্গে থাকা কিছু ব্যক্তিগত ছবি পুঁজি করে একটি চক্র তাকে ব্ল্যাকমেইল করতে শুরু করে।
”আমার শ্যালিকার সরলতা ও মানসিক অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে একটি চক্র তাকে ভুল বুঝিয়ে এবং জিম্মি করে আমার বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা মামলা করিয়েছে। মূলত বড় অঙ্কের চাঁদা না পাওয়ায় তারা এই ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে।”
সংবাদ সম্মেলনে ডা. রাফসান জানি এই ঘটনার নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের মুখোশ উন্মোচন করতে এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তিনি বলেন, একজন সরকারি চিকিৎসক হিসেবে তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এমন ঘৃণ্য চক্রান্ত করা হচ্ছে। তিনি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ সময় ডা. রাফসান জানির দাবির সপক্ষে তার পরিবারের সদস্যরা সরাসরি উপস্থিত থেকে সমর্থন জানান।
ডা. রাফসান জানির স্ত্রী সাজেদা আফরোজ
শ্বশুর সাজেদুর রহমান ও শাশুড়ি সেলিনা খাতুন
পরিবারের সদস্যরা সাংবাদিকদের জানান, ডা. রাফসান জানির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ বানোয়াট এবং তারা এই ষ’ড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা জানান।
মণিরামপুরে একজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এবং পাল্টা চাঁ’দাবাজির দাবি নিয়ে বর্তমানে স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহল ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
Leave a Reply