
নরসিংদীর ভেলানগরে পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে এক হেফজ বিভাগের মাসুম শিশু। আপনার সন্তানের খবর কতটা রাখছেন! এই মাছুম অবুঝ শিশু বাচ্চাটার বয়স কত আর হবে ৭ কি নির্মমভাবে পৈশাচিক আঁটকুড়া তথাকথিত শিক্ষক নামের কলঙ্ক দুটো মানুষ মনের আনন্দে শিশুটিকে বেদম প্রহার করে। শিশুটি যন্ত্রনায় গোঙাচ্ছে তো গোঙাচ্ছেই!কি বীভৎস!!কি আদিম বর্বরতা!!ভাবা যায়!!
আঁটকুড়া এজন্য বললাম কারণ যাদের সন্তান আছে তারা এভাবে মারতে পারে না! জনগনের প্রশ্ন, রাষ্ট্রযন্ত্র কি বোবা কালা হয়ে গেল নাকি? নাহলে এর বিচার দেখতে চায় তারা। শিশুটি যে শাসনের নামে শারিরিক ও মানসিক ভাবে স্থায়ী পুঙ্গত্ববরণ করলো তার দায় কে নেবে!বাবা মা নাকি ঐ পাষণ্ড শিক্ষক?
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভেলানগরের মাদরাসাতুল আবরার আল আরাবিয়ায় এ ঘটনা ঘটে। আহত মুজাহিদ (৭) প্রথম শ্রেণির আবাসিক হেফজ বিভাগের নাজেরা ক্লাসের শিক্ষার্থী।
জানা যায়, শিশুটির বাবা দেখতে গিয়ে তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান। শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে জরুরী নরসিংদির ১০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিশুটি ৩ বার বেদম প্রহার করার পর কাউকে ঘটনাটি না জানাতে হুমকি ধামকি দেওয়া হয়।
অভিযুক্ত শিক্ষক নাজমুস সাকিব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, গোসল না করায় রাগের বশে তিনি শিশুটিকে মারধর করেন, যা তিনি ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ বলে স্বীকার করেছেন।
বর্তমানে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেলে পাশবিক নির্যাতনের শিকার শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং অভিযুক্ত শিক্ষক কে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
Leave a Reply