1. ssnurnahar19@gmail.com : Mohammad RAHMAN : Mohammad RAHMAN
  2. muktanganpratidin@gmail.com : admin :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ন

ময়মনসিংহের বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক কাল বৈশাখীর ঝড়,বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টিতে বিপর্যস্ত ; ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা

নীহার বকুল :স্টাফ রিপোর্টার -মুক্তাঙ্গঁন প্রতিদান
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৪০ বার পঠিত

ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় হঠাৎ করেই ধেয়ে আসা তীব্র কালবৈশাখী ঝড় ও ভারী শিলাবৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ঝড়ের চেয়ে শিলাবৃষ্টির তীব্রতা বেশি থাকায় ঘরবাড়ি এবং কৃষি খাতের ওপর এর বড় ধরনের প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে। শিলাবৃষ্টি ও ঘূর্ণিঝড় বজ্রপাতে ফসলহানীর আশংকা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ‘আগামী তিন মাসে অন্তত ৮ দিন বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টি হতে পারে, এবং ২ থেকে ৩ দিন তীব্র কালবৈশাখী ঝড়ও দেখা দিতে পারে

গতকাল (১৪ মার্চ) শনিবার দিবাগত রাত ৮ থেকে ১০ টা পর্যন্ত হাল্কা গুড়িগুড়ি বৃষ্টি ও বিদ্যুৎ চামকালেও ১০.৩০ মিনিট হতে ভারি বর্ষণ ও তীব্র শিলাবৃষ্টি ও ঘূর্ণিঝড়ের সাথে বজ্রপাত শুরু হয়। কাল বৈশাখী ঝড়ের আঘাতে অনেক স্থানে কাঁচা ঘরবাড়ি বিধস্ত হয়ে পড়েছে। শিলার আঘাতে টিনের চাল ফুটো হয়ে গেছে। বিশেষ করে শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি,নালিতাবাড়ী, নকলা,শ্রীবর্দী, নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা,দূর্গাপুর,ময়মনসিংহের
হালুয়াঘাট, ফুলপুর, তারাকান্দা উপজেলায় কাল বৈশাখের তীব্রতা ছিল খুবই বেশী। অনেক দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবার বিপাকে পড়েছেন; ঘরের ভেতর পানি ঢুকে আসবাবপত্র ভিজে যাওয়ার কারণে।ঘরবাড়ি বিধস্ত হয়ে যাওয়ায়।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন জেলার কৃষকরা। মাঠের বর্তমান ফসলের ওপর এই শিলাবৃষ্টি এক প্রকার অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ময়মনসিংহ জেলার বেশ ক’টি উপজেলায় ঘরবাড়ি, গাছপালা উপড়ে বিদ্যুৎ এর খুঁটি ভেঙে তার ছিড়ে যাওয়ার কারণে ৯ টা হতে বিদ্যুৎবিহীন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখানো লাইন মেরামত হয়নি।

কালবৈশাখীতে বেশি ক্ষতি হয়েছে ফসলের মাঠ, বর্তমানে ধানের শীষ বের হওয়ার সময়। শিলার আঘাতে ধানের থোড় ও কচি শীষ ভেঙে যাওয়ায় ফলন মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। শাকসবজি, করলা, ঝিঙা, পটলসহ মৌসুমি শাকসবজির মাচা শিলার ভারে ও আঘাতে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। কচি সবজি পচে যাওয়ার ভয় পাচ্ছেন চাষিরা।আম, লিচু ও কাঁঠালের মুকুল বা কচি গুটি এই মুহূর্তে গাছের ডালে বড় হচ্ছিল। শিলার আঘাতে এসব ফলের গুটি ঝরে পড়ায় বাগানিদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। উঠতি আলু চাষির মাথায় হাত।

বেশ ক’জন কৃষক কান্না জড়িত কন্ঠে জানান, “এমন বড় শিলাবৃষ্টি গত কয়েক বছরে দেখিনি”। “আমাগো সবজি ক্ষেত এক্কেবারে শ্যাষ হয়া গেল। টিনের চালের যে অবস্থা, এহন মেরামত করার টেহাও হাতে নাই।” অনেকে সরকারি সহায়তা কামনা করেন। দুর্যোগ মোকাবেলায় তাদের সহায়তা না করলে খোলা আকাশের নিচে থাকতে হবে দরিদ্র অসহায় পরিবারগুলোকে।

বর্তমানে আবহাওয়া অধিদফতরের নির্দেশনা হলো
ঝড়ের সময় নিরাপদ স্থানে থাকা,বজ্রপাতের সময় বাইরে না যাওয়া,কৃষকদের ফসল রক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া।

খনার বচনে যদিও আছে ” যদি বর্ষে মাঘের শেষ,
ধন্য রাজার পূণ্য দেশ” কিন্তু ময়মনসিংহ বিভাগের কাল রাতের আকস্মিক ঝড় বৃষ্টি শিলা বজ্রপাত কৃষক ও গরীবের আনন্দের চেয়ে চোখের জল ই বেশি।

Share this news as a Photo Card

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

Archives

All rights reserved © 2025
Design By Raytahost
HTML Snippets Powered By : XYZScripts.com

ময়মনসিংহের বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক কাল বৈশাখীর ঝড়,বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টিতে বিপর্যস্ত ; ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা

15 March 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
মুক্তাঙ্গঁন প্রতিদিন