
একজন থানা বিএনপির সভাপতি, কিংবা ছাত্রদলের সভাপতি নিজেকে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ পরিচয় দিয়ে ছিনতাই করতেছে! ঘটনা আরোও ভয়াবহ।
মালয়েশিয়া প্রবাসী তার ছেট বোনের বিয়ের জন্য ১০০+১০০ গ্রাম স্বর্ণ পাঠিয়েছে। সেগুলো এয়ারপোর্ট থেকে দুই বন্ধু নিয়ে বাড়িতে যাচ্ছিল।
গাড়িতে উঠে একটু সামনে যেতেই, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বলাকা ভবনের সামনে, বিমানবন্দর থানার মধ্যেই পড়ে, সেখানে পৌঁছালে তাদের গাড়ি আটকানো হয়।
এরপর তাদেরকে বলা হয়, আমরা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের লোকজন। আমাদের কাছে বো’*মা আছে। যা কিছু আছে বাইর কর। এরপর মারধর শুরু।
বেশিরভাগ মিডিয়া এই রিপোর্ট করেছে। বক্তব্য উল্লেখ করে।
অবশ্য আরেকটা বয়ানও আছে। তাদের গাড়ি থামিয়ে বলা হয় যে ভিকটিমরা লীগের লোকজন। তাদেরকে তল্লাশি করা হবে। এরপর শুরু হয় মারধর।
একজন ভিডিও করতে থাকে। আরো লোকজন জড় হতে থাকলে ২ বন্ধুর কাছে থাকা ২০০ গ্রাম স্বর্ণ নিয়ে পালিয়ে যায় ক্রিমিনালরা।
কারা এই ক্রিমিনাল? বিমানবন্দর থানা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ, বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি রিপন, বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন শান্ত ও বিমানবন্দর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুবেল!
এদের মধ্যে রউফ, রিপন ও আল-আমিনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া ৯৫ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে। তাদেরকে ১ দিনের রিমান্ডেও নেওয়া হয়েছে।
এই হলো থানা পর্যায়ের বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাদের হাল। এটা খন্ডচিত্র। সারাদেশের অবস্থাই এমব। এটা সামহাউ ধরা খেয়ে গেছে। অন্যরা আপোষ করে চলে, খায়।
Leave a Reply