জাতি গঠনে শিক্ষকদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ বছর দেশের প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের ১০১ জন গুণী শিক্ষককে জাতীয়ভাবে সম্মাননা দিচ্ছে সরকার। সম্মাননাপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষককে নগদ ২ লাখ টাকা, ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র দেওয়ার কথা রয়েছে।
বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নির্বাচিত শিক্ষকদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়ার আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
এবারের সম্মাননার তালিকায় প্রাথমিক পর্যায়ে ১০ জন, মাধ্যমিক পর্যায়ে ২০ জন, কলেজ পর্যায়ে ২৫ জন এবং সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ২০ জন শিক্ষক রয়েছেন। এছাড়া চিকিৎসা শিক্ষায় ১০ জন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ জন, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ জন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ অন্যান্য বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ জন এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিবেচনায় আরও ৬ জন শিক্ষককে তালিকায় রাখা হয়েছে।
এর আগে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ে ১২ জন শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হতো। এবার সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ১০১ জন করা হয়েছে। শিক্ষকদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং পেশাগত মর্যাদা আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
২০২৬ সালের বিশ্ব শিক্ষক দিবসের প্রতিপাদ্য হলো—‘শিক্ষকদের পাশে: পেশার সুরক্ষায় ৬০ বছর, মর্যাদা এগিয়ে নেওয়া এবং আমাদের ভবিষ্যৎ গড়া।’ ১৯৬৬ সালে শিক্ষকতার পেশা ও মর্যাদা নিয়ে ইউনেস্কো ও আইএলওর সুপারিশ গ্রহণের ৬০ বছর পূর্তিকে সামনে রেখে এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
গুণী শিক্ষক নির্বাচনের জন্য বিভিন্ন শিক্ষা অধিদপ্তর ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের মাধ্যমে পৃথক সার্চ কমিটি গঠন করা হয়। সুপারিশ করা তালিকা যাচাই-বাছাই শেষে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি চূড়ান্ত তালিকা অনুমোদন করে।
আপনার মতে, শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের আরও কোন উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন???
Leave a Reply