
মহিষটা কোরবানি হইয়া গেলে প্রথম প্রথম ব্যপক আলোচনার ঝড় হইলেও ৫/৭ দিন পর এই বিষয়ে আর কোন আলোচনা বা রাজনীতি হইত না।
কোরবানির একদিন আগে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে ডোনাল্ড ট্রাম্প ( মহিষটি) কোরবানি থেকে রক্ষা পেলেও এখন চিড়িয়াখানায় বন্দী।
খেলাটা এখানেই খেলে দিল বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এখন ডোনাল্ড ট্রাম্প যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিন চিড়িয়াখানায় বন্দী অবস্থায়তেই বেঁচে থাকবে। কারণ এটি এখন চিড়িয়াখানার সম্পত্তি। যত সহজ বা বিনা বাঁধায় এই মহিষ বা ট্রাম্পকে কোরবানি করা যেত এখন তা জবাই করা তত সহজ হবেনা।
চিড়িয়াখানায় বন্দী থাকায় উৎসুক দর্শনার্থী মহিষটি দেখতে
এসেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মনে করে ট্রল করবে। আগে সাধারণ জনগন এটি দেখার সুযোগ ছিল না কিন্তু এখন আরও বেশি আগ্রহ নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেখতে মিরপুর চিড়িয়াখানায় যাবে এবং নানান রকম কমেন্টস করবে। সেই কমেন্টস মূহুর্তেই ছড়িয়ে পড়বে নেট দুনিয়ায়।
মহিষটিকে কোরবানি না করে চিড়িয়াখানায় বন্দী করে বাংলাদেশ রাজনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়ে মানসিক ভাবে বারে বারে আঘাত করার।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কেউ স্বচক্ষে দেখার আগ্রহ না দেখালেও মিরপুর চিড়িয়াখানায় বন্দী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেখার জন্য বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এমনকি বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা এসে ভিড় জমাচ্ছে।
Leave a Reply