
ইরানের ওপর ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিক্রিয়ার ঢেউ উঠেছে। বিভিন্ন দেশ তাদের পররাষ্ট্র নীতির ভিত্তিতে অবস্থান স্পষ্ট করছে। এরই ধারাবাহিকতায় মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ দুটি দেশ—তুরস্ক ও সৌদি আরব—হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের দাবিতে ইরানে বিক্ষোভ,জর্ডানে ভূপাতিত ইরানি ড্রোন
শুক্রবার (১৩ জুন) তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে হামলাকে ‘আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনকারী উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড’ হিসেবে আখ্যায়িত করে জানায়, এ ধরনের পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “ইসরায়েলের এসব পদক্ষেপ প্রমাণ করে, তারা কূটনৈতিক উপায়ে সংকট সমাধানে আগ্রহী নয়। এর মাধ্যমে তারা আরও বড় সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আঙ্কারা ইসরায়েলকে এমন আক্রমণাত্মক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছে।”
তুরস্কের মতো সৌদি আরবও ইসরায়েলি হামলার বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিক্রিয়া জানায়। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে হামলাকে আন্তর্জাতিক আইন ও বৈশ্বিক রীতিনীতির ‘স্পষ্ট লঙ্ঘন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে। সৌদি সরকার এই ‘জঘন্য হামলা’র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, “আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এ ধরনের আগ্রাসন থামাতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব রয়েছে।”
ইসরায়েলি হামলায় ইরানের ৬ পরমাণু বিজ্ঞানী নিহত
উল্লেখ্য, এই হামলার ঘটনায় ইরানজুড়ে ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটেছে। দেশটির বিভিন্ন শহরে হাজারো মানুষ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার দাবিতে রাস্তায় নেমে আসে।
Leave a Reply