
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বিভিন্ন অংশে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। শনিবার বিকেলে জোয়ারের প্রচণ্ড ঢেউয়ের আঘাতে সৈকতের বহু জায়গায় বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। এর ফলে উপড়ে পড়েছে হাজারো ঝাউগাছ। অনেক জায়গায় বৈদ্যুতিক খুঁটির ওপর পড়ে থাকা গাছের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে বিদ্যুৎ সরবরাহ।
কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগ জানিয়েছে, ১৯৬১-৬২ সালে কক্সবাজার সদরের নাজিরারটেক থেকে হিমছড়ি পর্যন্ত প্রায় ১২ হেক্টর এলাকায় ঝাউগাছ রোপণ শুরু হয়। উপকূলীয় এই বালিয়াড়িকে ঘূর্ণিঝড় ও লবণাক্ততা থেকে রক্ষার জন্যই নেওয়া হয়েছিল এই পরিকল্পনা। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ঘূর্ণিঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও জলোচ্ছ্বাসের কারণে ভেঙে পড়ছে বালিয়াড়ি, আর উপড়ে পড়ছে ঝাউগাছ।
দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. নূরুল ইসলাম জানান, “প্রচণ্ড ঢেউয়ের ধাক্কায় ঝাউগাছের গোড়া থেকে মাটি সরে যাচ্ছে, যার ফলে গাছগুলো উপড়ে পড়ছে। উপকূল রক্ষায় এখনই আধুনিক ও টেকসই বাঁধ নির্মাণ প্রয়োজন।”
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিবেশ রক্ষার স্বার্থেই দ্রুত সমন্বিত উপকূলীয় পরিকল্পনা নেওয়া জরুরি, নইলে কক্সবাজারের মতো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও এক সময় বিলীন হয়ে যেতে পারে।
Leave a Reply