1. ssnurnahar19@gmail.com : Mohammad RAHMAN : Mohammad RAHMAN
  2. muktanganpratidin@gmail.com : admin :
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০২:০৬ অপরাহ্ন

পত্নীতলায় টুং টাং শব্দে মুখর কামারশালা, শেষ সময়ে বেড়েছে ব্যস্ততা

মাসুদ রানা ঃ-- পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬
  • ১৫ বার পঠিত

মাত্র দুদিন বাদেই মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। আর এই ঈদে কুরবানিকে সামনে রেখে নওগাঁ পত্নীতলার কামার শিল্পীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, উপজেলা সদর নজিপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার নওগাঁ রোড,মাতাজি রোড,ধামইর রোড সংলগ্ন এলাকার কামারদের ওয়ার্কশপ গুলোতে অনেক রাত পর্যন্ত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি তৈরী করছেন এই শিল্পীরা ।

দিন রাত ওস্তাদ ও শাগরাত মিলে হাফর টানিয়ে লোহা পুড়িয়ে লাল করে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে তৈরি করছে দা, বঁটি, ছুরি, চাপাতি তাই টুংটাং শব্দে মুখর কামারশালা গুলো ।
দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে তাদের ব্যস্ততা যেন দম ফেলার ফুসরত নেই। এসব অস্ত্র তৈরি করার সময় হাপরের ফোঁস ফাঁস আর লোহা পেটানোর টুং টাং শব্দে মুখর পুরো এলাকা। এর সঙ্গে চলছে পুরোনো দা-বঁটি ও ছুরিতে শান দেওয়ার কাজ। এভাবে ক্লান্তিহীন দিন পার করছেন পত্নীতলার কামারেরা।

কাক ডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে যাচ্ছেন তারা। সারা বছর তেমন কাজ না থাকলেও কুরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে কয়েকগুণ ব্যস্ততা বেড়ে যায় কামারদের। এ দিকে পশু জবাইয়ের সরঞ্জামাদি কিনতে লোকজন ভিড় করছেন কামারিদের দোকানে।

আগে যেসব দোকানে ১জন শ্রমিক কাজ করত, এখন সেসব দোকানে ২/৩ জন করে শ্রমিক কাজ করছেন। তবে চায়না থেকে আসা মালামাল, লোহা, কয়লা ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় এ বছর ঈদে কামারদের মুখে তেমন হাসি নেই। ক্রেতাদের অভিযোগ, ঈদ উপলক্ষে দা, চাপাতি ও ছুরির দাম বেশি নেওয়া হয়। ছুরি শান দেওয়ার জন্য ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ১০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। অপরদিকে কামারীদের অভিযোগ, কুরবানির ঈদ উপলক্ষে লোহা, কয়লা ও শ্রমিকদের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় তাদের তৈরি মালের দাম একটু বেশি। এসব দা, বঁটি, ছুরির দাম জিজ্ঞাসা করলে তারা বলেন, পশুর চামড়া ছাড়ানো ছুরি ১০০ থেকে ৫০০ টাকা, দা ছোট ৪০০ থেকে ৬৫০ টাকা, বঁটি বড় ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকা, পশু জবাইয়ের ছুরি ৫০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা, চাপাতি ৮০০ থেকে ২০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কামারের দোকানে চাপাতি বানাতে আসা রহিম জানান, একদিন পর কুরবানির ঈদ, তাই চাপাতি শান দিতে একটি ছুরি কিনতে এসেছি।

নজিপুর বাসস্ট্যান্ড মাতাজি রোডের বিশ্বকর্মার কামারশালায় কর্মরত নারায়ন কর্মকার বলেন তারা বাবা তার বাবার বাবারাও এ কাজকরতেন বংশপরম্পরায় তিনিও এ কাজ করছেন তার দুই ছেলে প্রাণেশ্বর ও জামেশ্বর কর্মকার বাবার সাথেই কাজ করছেন।

৫শ থেকে ৭শ টাকা আয় হয়।যা দিয়ে খুব কষ্টে সংসার চলে।লোহা ও কয়লার দাম বেশি।কয়েকজন কামার বলেন, চায়না মালের জন্য আমাদের এ ব্যবসার ধস নেমেছে। অনেকে পেশা বদল করে অন্য কাজ করে জিবিকা নির্বাহ করছেন।

Share this news as a Photo Card

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

Archives

Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts
Dec0 Posts
Mar0 Posts
Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts
Dec0 Posts

Archives

Jun
Jul
Aug
Sep
Oct
Nov
Dec
Mar
Apr
May
Jun
Jul
Aug
Sep
Oct
Nov
Dec
All rights reserved © 2025
Design By Raytahost
HTML Snippets Powered By : XYZScripts.com

পত্নীতলায় টুং টাং শব্দে মুখর কামারশালা, শেষ সময়ে বেড়েছে ব্যস্ততা

26 May 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.muktangannews24.com