
ভারতে সংখ্যালঘু মুসলিমদের ওপর হত্যা, নির্যাতন, বসতবাড়ি ও মসজিদ ধ্বংস, তাদের ইন্ধনে পুরো বাংলাদেশব্যাপী বিশাল আকারের মূর্তি নির্মাণের পরিকল্পনা, কুরুক্ষেত্রের ন্যায় ধর্মযুদ্ধের ঘোষণা, বাংলাদেশের ভূখণ্ডকে বিভক্ত করার নীলনকশা ও সীমান্তে অনবরত পুশইন করার প্রতিবাদে নওগাঁর পত্নীতলায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে বাদ আসর নজিপুর বাসস্ট্যান্ড মসজিদের উত্তর পার্শে প্রতিবাদী ঐক্যমঞ্চের আহ্বানে বিক্ষোভ সামাবেশে বক্তব্য রাখেন জামায়াত নেতা এ্যাডঃ তাখতার ফারুক, নজিপুর পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমির মোফাস্সেল হক, ঐক্য মঞ্চের প্রধান উপদেষ্টা আনোয়ার হোসেন (পাকিস্তানী হুজুর ) প্রতিবাদী ঐক্যমঞ্চের সভাপতি অধ্যাপক মোঃ দেলোয়ার হোসেন, সহ সভাপতি অধ্যাপক মাওঃ হারুনুর রশীদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মারুফ মোস্তফা, কোষাধ্যক্ষ মাওঃ বরকতুল্লাহ, প্রচার সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ,মাও হেলালুদ্দীন আহসান হাবীব, আমিরুল ইসলাম, মাও: শাকিব আল হাসান
মুস্তাকিম বিল্লাহ, হাঃ মোঃ নাজিম উদ্দীন, মাওঃ মোঃ মুছা, মাওঃ আঃ হানিফ বিন তাজি
ছাব্বির হোসেন, হাঃ মাওঃ মুত্তাকীন,
মাওঃ আশরাফল ইসলাম, মুফতী মাওঃ আবিল কালাম, আবু সিদ্দিক, হাঃ মাওঃ আবু সাঈদ, তাফজাল হোসেন মাস্টার,
মুফতী মুস্তাফিজুর রহমান প্রমূখ।
পরে সমাবেশ মঞ্চ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদিক্ষন করে একই স্থানে এসে শেষ হয় এবং নজিপুর জিরো পয়েন্ট সহ বিভিন্ন স্থানে কালেমার পতাকা উত্তোলন করা হয়।
মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা “নারায়ে তাকবির—আল্লাহু আকবার” দিল্লি না ঢাকা, আমরা সবাই রসূল সেনা ভই করি না বুলেট বোমা, “দ্বীন ইসলাম—জিন্দাবাদ” এবং “বিশ্বের মুসলিম এক হও, লড়াই করো”সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৈতালী চক্রবর্তীর গ্রেপ্তার, বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিচার এবং তার আইনজীবী সনদ স্থায়ীভাবে বাতিল করতে সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছে একই সঙ্গে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দেশভাগের ষড়যন্ত্রে জড়িতদের খুঁজে বের করতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
দেশে রামমূর্তি স্থাপনের নামে শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টের অপচেষ্টা এবং চৈতালী চক্রবর্তীর হিন্দুদের জন্য ‘আলাদা প্রদেশ’ গঠনের দাবি সংবলিত বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। হেফাজতের দাবি, এসব কর্মকা- দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা।
চৈতালীর বক্তব্যের তীব্র ধিক্কার নেতৃদ্বয় বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন, অখ- ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। এদেশের সুদীর্ঘকালের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের জাতীয় ঐক্যকে নসাৎ করতে একটি বিশেষ মহল গভীর ও সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তার মুখে স্বাধীন বাংলাদেশের ভূখন্ড বিভক্ত করে ‘আলাদা প্রদেশ’ দাবি করা স্পষ্টত রাষ্ট্রদ্রোহিতা। নতুন করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরি করা হচ্ছে।
চৈতালীর ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার একটি আন্তর্জাতিক ও গভীর দেশবিরোধী চক্রান্তের অংশ। যেকোনো ধরনের উসকানিমূলক ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি রুখতে প্রশাসনকে দ্রুত ও কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।











Leave a Reply