
৫ আগস্টের পর কালো শক্তির উত্থান এবং এনসিপিকে জামাতের বি-টিম বলায় ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে মব তৈরি করে হ’/ত্যাচে’/ষ্টা করেছিল বৈষম্য বিরোধী শিবির কর্মীরা। ফজলুর রহমানের বাসা ঘেরাও করে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল অনেকদিন। সবাই তাঁর সাথে যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন করেছিল।
সেই অবরুদ্ধ সময়ে আমরা কয়েকজন তরুণ ফজলুর রহমানের বাসায় গিয়ে তাঁকে আস্বস্ত করে বলেছিলাম,আপনি দুশ্চিন্তা করবেন না, ফজলুর রহমান একা নয়, আমাদের মতো হাজারও তরুণ আপনার সাথে আছে, পাশে আছে। আপনাকে আমরা হেরে যেতে দেবো না’। ফজলু ভাই তখন আমাদের জড়িয়ে ধরে কেঁদেছিলেন। ভাবীকে ডেকে বলেছিলেন, ‘দেখো রেখা, আমি একা নই, এরাও আমার সাথে আছে!
এরপর ফজলুর রহমানকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার ষড়*যন্ত্র করেও ব্যর্থ হয় জামাত-শিবির। ফজলুর রহমান বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়ে রাজা/কারদের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ করে নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে সংসদে যান।
সংসদে দাঁড়িয়ে বাঘের মতো গর্জন করে তিনি ভাষণ দিয়েছিলেন,এই রাজা/কার-আল-বদ/রের বা/চ্চারা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান এখনও জীবিত আছে! যতদিন এদেশে মুক্তিযোদ্ধারা থাকবে, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ থাকবে, ততদিন এই দেশে রাজা/কারেরা কখনই ক্ষমতায় আসতে পারবে না। এই দেশ মুক্তিযুদ্ধের দেশ, এদেশে মুক্তিযুদ্ধ কখনই হারবে না।
সেই বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান এখন গোটা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের প্রতীক হয়ে উঠেছেন। সেই অবরুদ্ধ সময়ের ম/ববাজির দিন আর নেই! এখন বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানকে কেউ অপদস্থ করার দুঃসাহস দেখালে তাকে দেশ-বিদেশের লাখো বাঙালির প্রতিবাদ-প্রতিরোধের মুখে পড়তে হবে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানরা জান বাজি রেখে যুদ্ধ করে এই দেশকে স্বাধীন করেছেন। এখনও জান বাজি রেখে এই দেশের মাটি-মানুষ ও স্বাধীনতাকে রক্ষার জন্য লড়াই করে যাচ্ছেন। এই অকুতোভয় বীর সেনানী, বাংলা মায়ের দামাল ছেলে, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান কোটি বাঙালির অনুপ্রেরণা।
শ্রদ্ধা জানাই প্রিয় ব্যক্তিত্ব ফজলুর রহমানের প্রতি।
Leave a Reply