
গত ২০ আগস্ট ছিল উপমহাদেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, গণিতবিদ, সমাজসংস্কারক এবং আনন্দ মোহন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আনন্দ মোহন বসুর ১২০তম মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি ১৯০৬ সালের ২০ আগস্ট কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন। শিক্ষা বিস্তার, সামাজিক উন্নয়ন এবং মানবকল্যাণে তাঁর অসামান্য অবদান আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।
আনন্দ মোহন বসু ১৮৮৩ সালে ময়মনসিংহে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভিত্তি স্থাপন করেন, যা পরবর্তীতে বিকশিত হয়ে বর্তমান আনন্দ মোহন কলেজে রূপ নেয়। তাঁর মৃত্যুর পর ১৯০৮ সালে প্রতিষ্ঠানটি তাঁর নামানুসারে “আনন্দ মোহন কলেজ” নামে পরিচিতি লাভ করে।
বর্তমানে আনন্দ মোহন কলেজ দেশের অন্যতম বৃহৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। কলেজটিতে প্রায় ৩২ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে এবং এখানে ২২টি একাডেমিক বিভাগ ও একাধিক অনুষদের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, মার্কেটিং, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত, উদ্ভিদবিজ্ঞান, প্রাণীবিজ্ঞান, ভূগোল ও পরিবেশ এবং আইসিটিসহ বিভিন্ন বিভাগে শিক্ষার্থীরা অধ্যয়নের সুযোগ পাচ্ছে।
শিক্ষার আলো সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা এ অঞ্চলের শিক্ষা ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। তাঁর আদর্শ, দূরদর্শিতা এবং শিক্ষার প্রতি অঙ্গীকার আজও শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সমাজকে অনুপ্রাণিত করে।
এই মহান ব্যক্তিত্বের ১২০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আমরা তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।
Leave a Reply