
ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনে শহরের পিম্পরি চিনচওয়াডে সাংভি এলাকায় বিয়ের আলোচনার জন্য ডেকে নিয়ে ২৬ বছর বয়সী রমেশ্বর ঘেংগাট নামে এক যুবককে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে মেয়ের পরিবার। এই ঘটনায় মেয়ের বাবাসহ মোট ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, আর ২ জন পলাতক রয়েছেন। অভিযুক্ত সবার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রমেশ্বর তার আত্মীয় এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন, কিন্তু তার বিরুদ্ধে ধর্ষণসহ একাধিক মামলা ছিল এবং শিশু সুরক্ষা আইন (পকসো) অনুযায়ীও মামলা চলছিল। এই কারণে মেয়ের পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি ছিল না। তবে বিয়ের ব্যাপারে তারা অনড় থাকায় মেয়ের পরিবার আলোচনার কথা বলে রমেশ্বরকে ডেকে নিয়ে আসে। রমেশ্বর বাবা-মাকে নিয়ে গেলে দুই পরিবারের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। এর পর মেয়ের বাবা প্রশান্ত সারসহ অন্যরা তাকে একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে মারধর করে, যা গুরুতর আহত হওয়ার কারণে রমেশ্বরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা চেষ্টা করেও তাকে বাঁচাতে পারেননি।
সাংভি থানার সিনিয়র পুলিশ পরিদর্শক জিতেন্দ্র কোলির বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনার পর নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা করা হয়েছে এবং পলাতক আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।
এই ঘটনা ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় মহারাষ্ট্রে ঘটে এবং তা ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে .
Leave a Reply