1. ssnurnahar19@gmail.com : Mohammad RAHMAN : Mohammad RAHMAN
  2. muktanganpratidin@gmail.com : admin :
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন

বেড়ানোর কথা বলে দ্বিতীয় স্ত্রী’কে হত্যা করেছে তৃতীয় স্বামী! অবশেষে সহযোগী সহ গ্রেফতার

নীহার বকুল:স্টাফ রিপোর্টার -মুক্তাঙ্গঁন প্রতিদিন
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬
  • ৩৮ বার পঠিত

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গজনী এলাকার জঙ্গলে অজ্ঞাত পরিচয়ে উদ্ধার হওয়া এক নারীর অর্ধ/গলিত মরদেহের রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে পুলিশ। পারিবারিক কলহের জেরে দ্বিতীয় স্ত্রী এলিজা বেগমকে (৫২) শ্বাসরোধ করে হ/ত্যার পর জঙ্গলে ফেলে রাখেন তার স্বামী আলমগীর গাজি (৩৬) ও তার সহযোগী আব্দুল কুদ্দুস (৩৫)। আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ তথ্য উঠে এসেছে।

শুক্রবার (৫ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেন শেরপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (নালিতাবাড়ী সার্কেল) আফসান আল আলম। এর আগে গত ৩ জুন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন মামলার মূল পরিকল্পনাকারী আলমগীর গাজি।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত এলিজা বেগম কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার গোয়াটি গ্রামের মৃত ইব্রাহিম আলীর মেয়ে। তিনি কুড়িগ্রাম আদালতে আইনজীবীদের সঙ্গে মহুরী হিসেবে কাজ করতেন। অপরদিকে আলমগীর গাজি খুলনার কয়রা উপজেলার জায়গীর মহল গ্রামের মুনসুর রহমান গাজির ছেলে এবং পেশায় চিপস ব্যবসায়ী। সহযোগী আব্দুল কুদ্দুস কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বালাকান্দি গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।তদন্তে জানা গেছে, পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেমের পর আলমগীর ও এলিজা বিয়ে করেন। এটি ছিল আলমগীরের দ্বিতীয় এবং এলিজার তৃতীয় বিয়ে। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে আর্থিক ও পারিবারিক বিরোধ চলছিল। একপর্যায়ে স্ত্রীকে হ/ত্যার পরিকল্পনা করেন আলমগীর। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নিজের চিপস পরিবহনকারী ভ্যানচালক আব্দুল কুদ্দুসকে নতুন অটোরিকশা কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সহযোগী হিসেবে যুক্ত করেন।

২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর আলমগীর স্ত্রীকে গজনী পর্যটনকেন্দ্রে বেড়ানোর কথা বলে রাজারহাট থেকে শেরপুরে নিয়ে আসেন। পথে চিলমারী ঘাটে তাদের সঙ্গে যোগ দেন কুদ্দুস। হত্যার উদ্দেশ্যে তারা একটি দোকান থেকে গামছাও কিনে নেন। পরে গজনী এলাকায় ঘোরাঘুরি শেষে সন্ধ্যার দিকে কুদ্দুসের আত্মীয়ের বাড়িতে নেওয়ার কথা বলে এলিজাকে জঙ্গলের ভেতরে নিয়ে যান। সেখানে দু’জনে মিলে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাস/রোধ করে হ/ত্যা করেন এলিজাকে। পরে ম/রদেহ জঙ্গলে ফেলে পালিয়ে যান তারা।

তবে ঘটনাস্থলে ভুলবশত কুদ্দুসের একটি বাটন ফোন পড়ে যায়। সেই ফোনের সূত্র ধরেই মামলার তদন্তে অগ্রগতি আসে। গত ১৯ নভেম্বর জঙ্গলে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারের সময় ফোনটি জব্দ করে পুলিশ। পরে প্রযুক্তিগত তথ্য ও তদন্তের ভিত্তিতে ২০ নভেম্বর কুড়িগ্রামের নিজ এলাকা থেকে কুদ্দুসকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

এদিকে কুদ্দুস গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে আত্মগোপনে চলে যান আলমগীর। দীর্ঘ অনুসন্ধান ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ১ জুন কুড়িগ্রামের রাজারহাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ৩ জুন শেরপুরের আদালতে তিনি হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

Share this news as a Photo Card

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

Archives

Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts
Dec0 Posts
Mar0 Posts
Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts
Dec0 Posts

Archives

Jul
Aug
Sep
Oct
Nov
Dec
Mar
Apr
May
Jun
Jul
Aug
Sep
Oct
Nov
Dec
All rights reserved © 2025
Design By Raytahost
HTML Snippets Powered By : XYZScripts.com

বেড়ানোর কথা বলে দ্বিতীয় স্ত্রী'কে হত্যা করেছে তৃতীয় স্বামী! অবশেষে সহযোগী সহ গ্রেফতার

06 June 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.muktangannews24.com