
ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলা এবং গাজায় চলমান গণহত্যার প্রেক্ষাপটে আরব রাষ্ট্রগুলোর নিরবতা বহু মানুষের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের আঘাত অনেকের কাছেই ‘ন্যায্য প্রতিক্রিয়া’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তবে বাস্তবতা আরও জটিল। হুতিদের হামলায় কখনো কখনো বেসামরিক জাহাজ, অবাণিজ্যিক স্থাপনা বা নিরীহ মানুষের ক্ষয়ক্ষতিও ঘটছে। ফলে তাদের এই প্রতিরোধকে কেউ কেউ দেখছেন ‘অন্ধ প্রতিশোধ’ হিসেবে, যা কৌশলগত চেয়েও আবেগনির্ভর।
প্রশ্ন উঠছে—এর শেষ কোথায়?
মার্কিন সামরিক হামলা যেমন থেমে নেই, তেমনি হুতিদের প্রতিরোধও চলমান। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে সংঘাতের গভীরতা ও বিস্তার। হুতিরা নতুন নতুন অস্ত্র প্রয়োগ করছে, তাদের সামরিক সক্ষমতা বাড়ছে, আর মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি যাচ্ছে এক অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত যদি শিগগির কূটনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা না যায়, তাহলে এর প্রভাব শুধু ইয়েমেন বা লোহিত সাগরেই সীমাবদ্ধ থাকবে না—বরং তা গোটা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকিতে ফেলবে।
Leave a Reply