
কুমিল্লার দেবিদ্বারে বাড়ির মালিক ফরিদা ইয়াসমিন (৫০) হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। হত্যার পর তাঁর মরদেহ টুকরো করে পলিথিনে মুড়িয়ে বাড়ির পেছনে ফেলে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর গ্রামের একটি বাড়ির পেছন থেকে ফরিদা ইয়াসমিনের খণ্ডিত মরদেহের ৯টি প্যাকেট উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহের মাথা ও দুই পা এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ফলে ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় তৈরি হয়েছে তীব্র আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য।
এ ঘটনায় লাইলী আক্তার নামে ওই বাড়ির এক ভাড়াটিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পুলিশের সন্দেহ, ভাড়াটিয়ার সঙ্গে বাড়ির মালিকের কোনো বিরোধ বা ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে। তবে হত্যার সঠিক কারণ এবং মরদেহ খণ্ডিত করার পেছনের ঘটনা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা মরদেহের অংশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে নিখোঁজ মাথা ও দুই পা উদ্ধারে অভিযান এবং আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
একজন বাড়ির মালিককে হত্যার পর মরদেহ এভাবে খণ্ডিত করে বিভিন্ন প্যাকেটে লুকিয়ে রাখার অভিযোগ ঘটনাটিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। এখন তদন্তে বেরিয়ে আসার অপেক্ষা, কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড, কারা এর সঙ্গে জড়িত এবং মরদেহের বাকি অংশ কোথায়।
Leave a Reply