
বিষয়টি নিশ্চিত করে আজ ফকিরেরপুল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আহমদ আলী বলেন, ‘এক দিন আগে আমরা ফিফার দুটি দলবদল নিষেধাজ্ঞাই তুলেছি। এখন পুরোদমে দল গঠনের কাজ চলছে। গতবারের স্কোয়াড ধরে রেখে নতুন কিছু খেলোয়াড় যোগ করার চেষ্টা করছি।’
তাঁদের জন্য দল গোছানোর কাজটা কঠিন, কারণ বৃহস্পতিবারই ঘরোয়া মৌসুমের জন্য খেলোয়াড় নিবন্ধনের শেষ দিন।আবাহনী, কিংস ও ফকিরেরপুল ফিফার দলবদল নিষেধাজ্ঞামুক্ত হলেও নিষেধাজ্ঞার তালিকায় এখনো আছে দেশের দুই ক্লাব ফেনী সকার ও শেখ জামাল ধানমন্ডি। অবশ্য এ দুটি ক্লাবের ফুটবল কার্যক্রম এখন আর নেই। ফলে তাদের নিষেধাজ্ঞামুক্ত হওয়া না হওয়া ঘরোয়া ফুটবলে কোনো প্রভাব ফেলছে না।
আবাহনী ও কিংসের নিষেধাজ্ঞা কাটবে কি না, সেই সংশয় থেকে গত মৌসুমে বাংলাদেশ লিগ থেকে অবমনিত আরামবািগ ও ফকিরেরপুলের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী ওয়ান্ডারার্সকেও গত ২ আগস্ট ঘরোয়া মৌসুমে খেলার আমন্ত্রণ জানায় বাফুফে।
কিন্তু তখনো ফকিরেরপুলের ওপর ঝুলছিল ফিফার নিষেধাজ্ঞা। তবে ক্লাবটি নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে শীর্ষ ফুটবলে ফেরার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ছিল। শেষ পর্যন্ত আবাহনী ও কিংসের সঙ্গে ফকিরেরপুলও সংকট কাটিয়ে ওঠায় বড় শঙ্কামুক্ত হয়েছে দেশের ফুটবল। তিনটি ক্লাবই আসন্ন ঘরোয়া লিগে খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
আজ তিনি বলেন, ‘যত দূর জানি, লিগটা এবার ১৩ দল নিয়েই হবে। নতুন আমন্ত্রিত তিনটি দলই খেলবে। সাতটি ভেন্যুও মোটামুটি ঠিক হয়ে গেছে। এবারের লিগের ভেন্যুগুলো হলো বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনা, গাজীপুর, কুমিল্লা, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, গোপালগঞ্জ ও চাঁদপুর।’
এই প্রথম পেশাদার লিগের ভেন্যু হচ্ছে চাঁদপুর। ওয়ান্ডারার্স ক্লাব চাঁদপুর জেলা স্টেডিয়ামকে নিজেদের ভেন্যু হিসেবে চাইলে বাফুফে তাতে সাড়া দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ওয়ান্ডারার্সের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, তাঁর বাড়িও চাঁদপুর। চাঁদপুরকে হোম ভেন্যু হিসেবে চেয়েছে ফকিরেরপুলও।
ওদিকে মোহামেডান ঢাকা স্টেডিয়ামকে হোম ভেন্যু হিসেবে চাইলেও বাফুফে এ মাঠে লিগ ম্যাচ আয়োজনে আগ্রহী নয়।
Leave a Reply